কলাপাড়ায় পানি যাদুঘরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত


মো: শহিদুল ইসলাম, কলাপাড়া ।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পানি যাদুঘরের প ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। ফি-বছরের ন্যায় এবছরও ২৯ ডিসেম্বর পানি যাদুঘরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়।
রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপকূলীয় জনকল্যান সংঘ ও কৃষক মৈত্রীর সদস্যরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী র‌্যালি পালনে করেন। র‌্যালি শেষে পাখিমারা পানি যাদুঘর মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষক মৈত্রির উপজেলা সভাপতি আলাউদ্দিন সিকদার। প্রান অতিথির বক্তব্য রাখেন নীলগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন মাহমুদ।অন্যান্যের মধ্যে উন্নয়ন সংস্থা আভাস এর উপজেলা সমন্বয়ক মনিরুল ইসলাম সবুজ, ইউপি সদস্য প্রফুল্ল চন্দ্র হাওলাদার, সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম রিপন, নদী সুরক্ষা কমিটির সদস্য বাচ্চু সিকদার, যাদুঘরের তত্ত্বাবধায়ক লিপি মিত্র প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ২০১৪ সালের এই দিনে একশন এইড বাংলাদেশের উদ্যোগে, উপকূলীয় জনকল্যাণ সংঘ, কৃষক মৈত্রী, আভাস ও একশন এইড বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনায় পানি যাদুঘরটি পরিচালিত হয়ে আসছে। উপকূলীয় জনকল্যান সংঘের উদ্যোগে নির্মিত পাখিমারায় এ যাদুঘরটিতে দেশ-বিদেশের ৮৫ টি নদীর পানি সংরক্ষণ করা হয়েছে। রয়েছে দেশের এবং উপকূলীয় কলাপাড়ার নদ-নদীর বিভিন্ন স্থির চিত্র। নদী খালে জীবন-জীবীকায়নের স্থির চিত্র প্রদর্শন করা আছে। সংরক্ষিত রয়েছে জেলেসহ গ্রামীণ জনপদে মাছ ধরার জন্য ব্যবহার্য উপকরনসমুহ। বাংলাদেশের নদ-নদীর মানচিত্র। নদী ও পানিকেন্দ্রীক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নমুনা উপকরণ হিসেবে রয়েছে। যা শোভা পাচ্ছে গ্যালারিতে, সুদৃশ্য এসব দৃশ্য অবলোকনের সুযোগ রয়েছে। সপ্তাহে রবিবার ছাড়া প্রতিদিন যাদুঘর দর্শনের সুযোগ রয়েছে। এজন্য ১০টাকা দর্শনী বিনিময় করতে হয়।কলাপাড়া থেকে কুয়াকাটা যেতে পাখিমারা বাজারের পরেই মহাসড়কের পাশেই এ যাদুঘরটি স্থাপিত রয়েছে। প্রতিদিন দশনার্থীরা পানি যাদুঘরটি ঘুরে দেখেন।ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বরত জয়নাল আবেদীন জানান দক্ষিণ এশিয়ায় এটিই প্রথম পানি যাদুঘর।

মন্তব্য

মন্তব্য