ঘোড়াঘাটে আমি একজন বিরোঙ্গনা নারী


ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি //

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার চকবামুনিয়া বিশ্বনাথপুর গ্রামের সানোয়ার খান সানুর কন্যা তাসিয়া জাহান ঐশি (১৫) একজন বিরোঙ্গনা নারী। ১৯৭১ সালে পাকিস্থানি বাহিনির সাথে বাংলাদেশ স্বাধীন নিয়ে বেজেগেল সেই যুদ্ধ। যুদ্ধের সময় বাবুর আব্বারে পাকবাহিনি বাহিনিরা কোথায় যেন ধরে নিয়ে গেল সেই থেকে আর ফিরে আইলোনা।

পেটে দুইমাসের বাবু দেখতে দেখতে জম্ম নিলো তবুও ফিরে আইলোনা।এ সময় আমি একাকি বাড়ী খান সেনাদের পাশবিক অত্যাচার ধর্ষণ,সয্য করে বাবুর আব্বার জন্য পথ চেয়ে আজও বসে আছি। অনেক কষ্ট করে বাবুরে মানুষ করছি। স্কুলে শিক্ষক বাবুরে ভর্তি করায়না।স্কুলের অন্য ছেলে মেয়েরা বলে তোর মা বিরোঙ্গনা তোর সাথে খেলবোনা।

সকল দুঃখ কষ্ট বুকে নিয়ে বিরোঙ্গনা হয়ে আজও বেচে আছি। দেশ স্বাধীন হলো জাতী স্বাধীনতা পেল,মুক্তিযোদ্ধারা সুযোগ সুবিধা পেল,সরকারী ভাতা পেল,কিন্তু আজও আমি বিরোঙ্গনার জ্বালা যন্ত্রনা মাথায় নিয়ে বেচে আছি। বিরোঙ্গনার সাধ ও স্বীকৃতি পেলামনা। ভিক্ষা বিত্তি ও ভাপা পিঠা বিক্রি করে সন্তানকে মানুষের মত মানুষ করার চেষ্টা করছি। ৩০ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হলো তবে কি সেই স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি ?তবে কেন দেশে এত মারা-মারি হানা হানি। তার এই একক অভিনয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার আবেগে ভেঙ্গে পরেন।

বিরোঙ্গনার একক অভিনয়ে ঘোড়াঘাট ওসমানপুর সরকারী ডিগ্রী কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী মোছাঃ তাসনিয়া জাহান ঐশি প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে এবং পরে জেলা পর্যায়ে ১ম স্থান অধিকারী হওয়ায় বিজয় ফুল অুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক তাকে গলায় মেডেল পরিয়ে দেন করেন।

মন্তব্য

মন্তব্য