তিতাসে  লম্পট মাসুমের লালশার শিকার শিশু আয়শা সহ একাধিক শিশু

মো: জহিরুল ইসলাম পাশা // কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে একাধিক শিশু ধর্ষনের চেস্টা কারী লম্পট মাসুমের  লালশার স্বীকার হয়েছে  ৬ বছরের শিশু আয়শা। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩০ শে আগস্ট  শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১টার সময় উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের হাড়াইকান্দি গ্রামে। ভিকটিম আয়শা মুরাদনগর উপজেলার দাররা ইউনিয়নের পুটিয়াছরি গ্রামের আনিছুর রহমানের মেয়ে। সে তার মা রুনা আক্তারের সাথে তিতাসে নানার  মোজাম্মেলের বাড়িতে বেড়াতে আসছিল। ভিকটিমের খালাতো ভাই সমবয়সী  দৈনিক দিন প্রতিদিনের প্রতিনিধিকে  বলেন আয়শা আর আমি খেলতেছি । এমন সময় মাসুম এসে বলে তোমরা পেয়ারা আর নারকেল খাইবে আমরা বলেছি হ্যা খাব, আমাকে এবং আয়েশাকে ডেকে নিয়ে আমাদের বাড়ি থেকে অনেক দুরে চকে ধইনচা খেতে নিয়ে গিয়েছে, তখন ধইনচা খেতে নেওয়ার পর আয়েশার মুখে ধরেছে তখন আমি বললাম আমরা নারকেল আর পেয়ারা খাবনা আমাদেরকে ছেরে দাও সে ছারেনা তখন আমি দৌরে এসে আমার আম্মাকে বলেছি আম্মা গিয়ে আয়েশা কে এনেছে।এ ব্যাপারে আয়েশার  মামা মো: রিপন মিয়া বলেন আমার  গ্রামের মো:নাজির মিয়ার ছেলে মাসুম(২৮) পেয়ারা আর নারকেল  দিবে বলে আমার ভাগ্নিকে  ডেকে নিয়ে যায়  আমাদের গ্রামের পাশে   দইনচা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
এ সময় আমার ভাগিনা এসে খবর দিলে আমরা   দৌড়ে গেলে মাসুম পালিয়ে যায়। সাথে সাথে আমি বিষয়টি বাহার চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি হাসপতালে পাঠান। প্রথমে  আয়শাকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ প্রাথমিক চিকিস্যা দেওয়ার পর  উন্নত  চিকিস্যা দেওয়ার জন্য কুমিল্লা নিয়ে গিয়েছি, আমার ভাগ্নি এখনও সুস্থ্য হচ্ছে না মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়ছে,  এবিষয়ে বাহার চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন আমি নিজে গিয়ে বাচ্চাটাকে দেখেছি এবং দ্রুত হাসপতিালে পাঠিয়ে ওসি সাহেবকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানাই এবং এঘটনার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চাই।ওসি সৈয়দ মোহাম্মদ আহসানুল ইসলাম সাংবাদিকদের  বলেন আমি বাহার চেয়ারম্যানের কাছ থেকে খবর পেয়ে হাসপাতালে যাই এবংভিকটিমের সাথে কথা বলেছি।খুব শীঘ্রই আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। সরজমিনে গিয়ে জানাযায় একাধিক ব্যাক্তি নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক  বলেন মাসুম ছোট ছোট বাচ্ছদেরকে মোবাইলে মটুপাগলো দেখিয়ে  বিভিন্ন খানার লোভ দেখিয়ে  আমাদের গ্রামে পৃর্বে ও একাধিক  শিশু কে ধর্ষন করেছে, তা গোপনে সমাধান করেছে মেয়েদের ভবিষৎ এর কথা চিন্তা করে, এভাবে চলতে থাকলে লম্পট চরিত্রহীন মাসুমের লালসায় কতজনের জীবন নস্ট হয় আল্লাহ জানে। এবং মাসুমের পিতা মো: নাজির বিয়ে করেছে চারটা তার পরিবার থেকে তাকে তেমন শাসন করা হয় না বলেই মাসুম বে পরোয়া হয়ে পরেছে, এ ব্যাপারে মাসুমের মা বললেন, গত কাল আমাদের গ্রামে একটা অনুষ্ঠান ছিল,দুপর বেলা আমার ছেলে মাসুম শুয়ে টিভি দেখতেছে আমি দাওয়াত খেয়ে বাড়িতে এসে শুনি মাসুম এ অপকর্ম করেছে, মাসুমে কোথায় জান্তে চাইলে নিরবতা পালন করেন মাসুমের মা।তবে এলাকাবাসীর দাবী মাসুমকে আইনের আওয়াত্তায় শাস্তি দিতে হবে যাতে করে এধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

মন্তব্য

মন্তব্য