গলাচিপায় কোরবানীর পশুর বাজার চড়া খালি হাতে ফিরছেন ক্রেতারা  

মু. জিল্লুররহমান জুয়েল, পটুয়াখালী।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় কোরবানীর পশুর বাজার বিশেষ করে গরুর বাজার জমে উলেও খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন ক্রেতারা।
সরজমিন বাজার ঘুরে জানা যায়, এ বছর ইন্ডিয়ান গরু আমদানি না হওয়ায় গৃহপালিত ও খামারি গরু, মহিষ ও ছাগলের আমদানি বাজারে  চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি হলেও বিক্রি হচ্ছে অনেক কম। প্রকৃত দামের তুলনায় পশু বিক্রেতারা দাম হাঁকাচ্ছেন বেশি হওয়ায়  অধিক সংখ্যক ক্রেতারা কোরবানীর পশু না কিনে ফিরে আসছেন।
পশু ক্রেতাদের ধারনা, শেষের দিকে কোরবানীর কাছাকাছি সময় আসলে হয়ত দাম একটু কম হতে পারে। বাজার অনুযায়ী কোরবানীর পশু কম বিক্রি হওয়ায় ইজারাদাররা হতাশ হলেও আশায় বুক বেঁধে আছেন শেষ বাজারগুলোর উপর।গলাচিপা পৌরসভা গরুর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারের সবচেয়ে বড় গরুটির মালিক মো. নাসির উদ্দিন দাম হাঁকিয়েছেন ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ওই গরুটির দাম ক্রেতারা বলেছেন ১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা। বাজারে মধ্যম সারির ক্রেতাদের মধ্যে  মো. সেলিম মোক্তার বলেন, এবার কোরবানীতে আমাদের বাজেট ৭০-৮০ হাজার টাকা। এ বছর গরুর দাম বেশি হওয়ায় পছন্দমত গরু ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না।
গরু বিক্রেতা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমার গরুটির দাম হাঁকিয়েছি ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা। কিন্তু ক্রেতারা গরুটির দাম বলেছেন ৭০ হাজার টাকা। গরুটি লালন পালন করতে আমার যে পরিমান টাকা খরচ হয়েছে  তাতে এটি ১ লক্ষ টাকার বেশি বিক্রি না করলে আমার পোসায় না।
এ ব্যাপারে ইজারাদার মো. কাঞ্চন মিয়া বলেন, এ বছর কোরবানীর পশু বিক্রি অনেক কম। হয়ত শেষ বাজারগুলোতে বিক্রি বাড়বে বলে আশা করি।
উপজেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন জানান, মেডিকেল টিম গঠন করে কোরবানীর বাজারের প্রতিটি পশুই আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। যাহাতে ক্রেতারা স্বাস্থ্যসম্মত পশু কোরবানী দিতে পারেন।

মন্তব্য

মন্তব্য