ঘোড়াঘাটে আঠালো মাটি আর অর্থের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে মৃৎশিল্প।

ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ
প্রয়োজনিয় আঠোলো মাটি ও অর্থের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে মৃৎশিল্প।এ পেশায় নিয়োজিত শত শত কারিগর বেকার হয়ে পরেছে। আবার কেউ কেউ অন্য পেশা বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে।তারা বলছেন এক দিকে আঠালো মাটির অভাব আবার অন্য দিকে বাজারে প্লাটিক সামগ্রীতে ছয়লাফ হয়ে পরায় মৃৎশিল্প বিলুপ্তির পথে।
ঘোড়াঘাট উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ান ও একটি পৌরসভায় কিছু কিছু মৃৎশিল্প বংশনুপাতে এ পেশা ধরে রেখেছে। তাদেও নিপুন হাতের ছোয়ায় আঠালো মাটি বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র তৈরী করে জীবন জিবিকা নির্বাহ করছেন। তারা হাড়ি পাতিল,কলস,মাছ ধোয়া খোলস,শীলপাটা,পানির গøাস ও মাটির তৈরী ব্যাংকসহ খেলনা জিনিস তৈরী করে গ্রাম-গঞ্জের হাট-বাজার গুলোতে বিক্রি করে কোন মতে জিবিকা নির্বাহ করছেন। এ সব জিনিসের চাহিদা কম থাকলেও তারা এ পেশা ছেড়ে দিতে পারছেন না।
এমনটিই বলেছেন গবিন্ধপুরের মৃৎশিল্পরা। তারা বলছেন এক দিকে আঠালো মাটির অভাব অন্য দিকে মাটির দাম বেশী। তার উপর বাজারে এর চাহিদা কম কারন প্লাটিক জিনিসপত্র দেখতে সুন্দর ও টেকে ভাল সেই জন্য লোকজন প্লাটিকের জিনিসপত্রর দিকে ঝুকে পরেছে। তাই দিন দিন মাটির তৈরী জিনিসপত্র বাজারে চাহিদা কম হওয়ায় বেচা কেনা কম। এ দিয়ে আর সংসার চলছেনা,বিধায় অনেকে অন্য পেশা বেছে নিয়েছে। মৃৎশিল্প বাচিয়ে রাখতে সরকারের নজরদারিসহ শল্প মুল্যে রিন দিলে এ পেশায় নিয়োজিতদেরকে টিকিয়ে রাখা সম্ভাব বলে এমটি মনে করছেন পৌসভার মেয়র আঃ ছাত্তার মিলন।

মন্তব্য

মন্তব্য