৫ বছরের শিশু কন্যা অপহরনের ১ মাস ২৩ দিন পরে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

 মোঃ শরীফ হোসেন,সিনিয়র রিপোর্টার

রাজধানীর কদমতলী ধোলাইপাড় এলাকা থেকে ডিপটি গলির ৬৬৮ নং বাসায় বাবা মায়ের সাথে থাকতো শিশুকন্যা মীনা। গত ২০১৯ ইং ২৮শে জানুয়ারী সকাল আনুমানিক ১০:৪৫ মিনিটে বাসার সামনে খেলার এক পর্যায়ে সে নিখোজ হয়। এ ঘটনায় তার দিনমজুর বাবা মা পারভিন বেগম বাদী হয়ে কদমতলী থানায় একটি সাধারন ডায়েরী (জিডি) করে। তদন্তের একপর্যায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১৯/০৩/২০১৯ ইং গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ/পি সাং মেরাজনগর, বøক-বি, ব্যাংক কলোনী, ০৪ নং রোড, থানা-কদমতলী, ঢাকা, থেকে অভিযুক্ত দোলাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গতকাল ভোর ৪টার দিকে শ্রীপুরের ভুতুলিয়া গ্রামের জহিরুলের বাড়ি থেকে মীনাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করেকদমতলী থানায় নিয়ে আসা হয়। ২০ তারিখে সকাল ১১ টার সময় ওয়ারী বিভাগে ডিসি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন এক সংবাদ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেন নিজ কার্যালয়ে। ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামপুর জোনের এডিসি মোঃ তারেখ আহম্মেদ এবং এসি মোঃ মফিজুর রহমানের নেতৃত্তে কদমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জামাল উদ্দিন মীর ও ওসি তদন্ত মোঃ সাজু মিয়া ও মামলার তদন্তকারী এস.আই লালবুর রহমান পিপিএম সহ একটি টিম গাজীপুরের শ্রীপুর থানা ভুতুলিয়া গ্রামের বাড়ী থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। আসামীর দোলার স্বামীর নাম ইব্রাহিম মিয়া, পিতা-পিতা-কাঞ্চন, মাতা-হাজু বেগম, সাং-চৌদ্দ হট্ট, থানা-ঘাটাইল, জেলা-টাঙ্গাইল। পুলিশ জানায় ঐ ঘটনায় দোলার বিরুদ্ধে অপহরনের অভিযোগের মামলা (মামলা নং-৫৩/১৬৬) হয়েছে। পরে থানা থেকে শিশু মীনাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দোলা জানায় যে, পেশায় একজন ভাসমান যৌনকমী। নিজের সন্তান না থাকায় সে মীনাকে লালন পালন করে নিজের সন্তানের মত মানুষ করবে বলে। খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তাহাকে দুরে ডেকে নেয়। এরপর তাহাকে নিয়ে অনেক দুরে চলে যায়। অপহরনের পর থেকে সে মীনাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাগুরি করেছে। পুলিশ জানায়।

মন্তব্য

মন্তব্য