কক্সবাজারে হতাশায় লবণ চাষী

মো:জাহেদুল ইসলাম জাহেদ//

পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক পরিবেশ থাকায় কক্সবাজার জেলার মধ্যে ডিজিটাল আইল্যান্ড স্বীকৃত মহেশখালীতে সবচেয়ে বেশি লবণের চাষ হয়। এই পেশার সাথে জড়িত আছে প্রায় অসংখ্য চাষী। চাষীরা মনের আনন্দে কঠোর পরিশ্রমের বিনিময়ে এই মৌসুমে প্রতিবারের মতো লবণ চাষ করেছে। কিন্তু গত দুএকদিনে যে বৃষ্টি হয়েছে তাতে লবণ চাষীদের মুখের হাসি হারিয়ে গেছে। কারণ, যেই সময়ে তারা মাঠ থেকে লবণ তুলবে ঠিক সেই সময়ে বৃষ্টি হওয়ার ফলে চাষকৃত লবণ বৃষ্টির পানির সাথে মিশে গেছে এবং তার সাথে ভেসে গেছে চাষীদের আশা আর মুখের হাসি। অন্যদিকে যেসব চাষী লবণ কিছুটা হলেও সংরক্ষণ করেছে তারাও হতাশায় পরিপূর্ণ। কারণ, তাদেরকে লবণের ন্যায্য মূল্য দেওয়া হচ্ছে না। শাপলাপুর, কুতুবজুম, ঘটিভাঙ্গা, কালারমার ছড়া, হোয়ানক, গোরকঘাটা মাথারবাড়ি সহ বেশ কটি এলাকার লবণ চাষীরা বলেন, ” তারা একদিকে বৃষ্টির ফলে আশানুরূপ লবণ চাষ করার পরেও মাঠ থেকে লবণ তুলবার আগেই বৃষ্টির ফলে ক্ষতি হয়ে যায় তাদের মাঠ ভরা লবণ। অন্যদিকে তারা কষ্টের ফল হিসেবে যে পরিমাণ লবণ সংরক্ষণ করেছে তার বাজারজাত করেও সঠিক মূল্য পাচ্ছে না অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে। যার কারণে চাষীরা লবণ চাষ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলতেছে ব্যবসায়ীর অসাধুতার ফলে।ফলাফল মহেশখালীর লবণ চাষীরা এখন হতাশায় ভুগতেছে তাদের পণ্যের সঠিক মূল্য না পাওয়ায়।

মন্তব্য

মন্তব্য