কালীগঞ্জে সরকারী পুকুর ভরাট দখলের চেষ্ঠা অভিযোগ প্রতিবাদে নাগরী বাজার ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসির মানববন্ধন

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি // গাজীপুরের কালীগঞ্জে সরকারী খাস পুকুরটি ভরাট করে সেন্ট নিকোলাস স্কুল এন্ড কলেজ ভবন করার পায়তারা করছে সাধু নিকোলসের লোকজন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর প্রতিবাদে নাগরীর গ্রামবাসিসহ, নাগরী বাজার ব্যবসায়ীরা, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও কালিমন্দির কমিটির লোকজন মানববন্ধন করেন।
গতকাল শনিবার সকালে কালীগঞ্জ- আব্দুল্লাহপুর সড়কের নাগরীর বাজার সংলগ্ন রাস্তায় ওই মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় বাজার ব্যাবসায়ী, দোকান মালিক, এলাকাবাসিসহ প্রায় কয়েক শতাধিক জনসাধারণ এ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন। এ সময় বাজারের পাশের ব্যস্ততম রাস্তায় বিরাট যানজটের সৃষ্টি হয়। মানববন্ধন শেষে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
সভায় বক্তব্য রাখেন-নাগরী বাজার পরিচালনা কমিটি ও কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ সভাপতি আলহাজ্ব মাষ্টার মো. তমিজ উদ্দিন শিকদার, সম্পাদক মোবারক হোসেন শাওন, নাগরী ইউনিয়নের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আকতারুজ্জামান মোল্লা, ইউনিয়ন আ’লীগের সাবেক সভাপতি মো. ফজলুল হক মোড়ল, সিরাজ মিয়া, বাজার পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা আবুল বাশার মনীপুরি, কালিমন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি হরিপদ সাহা, ও সাধারন সম্পাদক আনন্দ কুমার, হরিপদ পাল, সুনিল দাস, জুয়েল মিয়া প্রমূখ।
এ ব্যাপারে সাধূ নিকোলাস গীর্জার ফাদার জয়ন্ত গমেজ জানান, আমরা সেন নিকোলাসের জমিতেই ভবন নির্মাণ কাজ করছি । অভিযুক্ত পুকুর ভরাট করি নাই বরং পুকুরের ভিতরে আমাদের আরো ১৫ ফিট জমি রয়েছে তবে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
এ ব্যাপারে আলহাজ্ব মাষ্টার মো. তমিজ উদ্দিন শিকদার ও কালিমন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি হরিপদ সাহা, ও সাধারন সম্পাদক আনন্দ কুমার ২ ফেব্রæয়ারী সরকারী পুকুর সংরক্ষন ও সংস্কারের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করেন।
সভায় বক্তরা বলেন- এ পুকুরটি শত বছরের পুরাতন পুকুর। এই পুকুরের পানি দিয়ে পাশে কোথাও আগুন নির্বাপনের কাজে ব্যবহার হতো। বাজরে বেশ কয়েকবার আগুন লেগেছিল, ফায়ার সাভির্সের লোকজন এ পুকুরের পানি দিয়ে আগুন নিবাতে সক্ষম হয়। এ ছাড়া বাজারের ব্যবসায়ীরা, মসজিদে আগত মুসল্লীরা ও কালীমন্দিরের আগত ভক্তরা পুকুরের পানি ব্যবহার করে আসছে ্এই পুকুরের পানি ব্যবহার করে আসছে। পুকুরের পানি ব্যবহার করা হয়।
এ ব্যাপারে এড. ইকবাল হোসেন বলেন, এই পুকুরটি দখল করতে মিশন কর্তৃপক্ষ ২০১০ সালে গোপনে মামলা করে একতরফা তাদের পক্ষে রায় নিয়ে আসে। পরে জানতে পেরে জনস্বার্থে সিভিল পিটিশনের মাধ্যমে ২০১২ সালে রায়ের বিরুদ্ধে রিট করা হয়।

মন্তব্য

মন্তব্য