থানায় মামলা আটক-৪, একমাসে ৫ বাইক চুরি চন্দনাইশে মোটর সাইকেল চুরির হিড়িক

নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দনাইশ \
সম্প্রতি চন্দনাইশের বিভিন্ন এলাকায় মোটর সাইকেল চুরির হিড়িক পড়েছে। গত একমাসে ৫টি মোটর সাইকেল চুরির অভিয্গো পাওয়া গেছে। মোটর সাইকেল চুরির ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ৪ জনকে আটকও করেছেন।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে চন্দনাইশ পৌরসভার চৌধুরী পাড়ার শাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী বাচা’র ১ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা মূল্যে পালসার মোটর সাইকেলটি তার বাড়ি থেকে চোরের দল নিয়ে যায়। এব্যাপারে বাচা বাদি হয়ে ৩ জনকে আসামী করে চন্দনাইশ থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ একই এলাকার আবদুল মাবুদ চৌধুরীর ছেলে মো. রিয়াদ (২৮) কে আটক করে। এদিকে ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে দোহাজারী পৌরসভার দীঘিরপাড় এলাকায় লোহার গ্রীল কেটে ২টি মোটর সাইকেল নিয়ে যায়। খান প্লাজার ব্যবসায়ী নুরুল আলম আজাদ ও গাজী গ্রুপের কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমানের (ঢাকা-মেট্রো-হ- ৪৬-৩৬৫৭) এ ২টি মোটর সাইকেলের মূল্য ৩ লক্ষ টাকা বলে জানান। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে দোহাজারী সদর এলাকার এড. সাদ্দাম হোসেন নিরবের মোটর সাইকেলটি চোরের দল বাসার নিচ থেকে নিয়ে যায়। গত ১২ জানুয়ারি বিকালে খানহাট গণি সুপার মার্কেটের সামনে থেকে চন্দনাইশ পৌরসভার কর পরিদর্শক মনিরুজ্জামানের মোটর সাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যায়। এদিকে পুলিশ চোরাইকৃত মোটর সাইকেল বিক্রিকালে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে পাঠানিপুল এলাকা থেকে উত্তর হাশিমপুরের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন প্রকাশ পিচ্ছি আনোয়ার (৩৫), মো. মিয়ার ছেলে মো. আজিজুর রহমান (২২), পটিয়া বরুলিয়া এলাকার, বর্তমানে চন্দনাইশ রৌওশন হাট এলাকার ভাড়াটিয়া মৃত আমির আহমদের ছেলে পিয়ার মোহাম্মদ (৩৫)কে আটক করেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করেন। এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ কেশব চক্রবর্ত্তী বলেছেন, ইতোমধ্যে ২ টি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। ২ টি মামলা নেয়া হয়েছে, ৩জনকে আটক করা হয়েছে। তবে, চৌধুরী পাড়ার চুরি হওয়া মোটর সাইকেলের ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে আদৌ চুরি হয়েছে কিনা ? এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

মন্তব্য