নীলফামারীতে তিন লাখ শিশুকে ভিটামিন “এ” ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি\ সারা দেশের ন্যায় নীলফামারীর ছয় উপজেলা, চার পৌরসভা ও ৬১ ইউনিয়নে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী প্রায় তিন লাখ(২ লাখ ৯৭ হাজার ৯৬৫) শিশুকে দ্বিতীয় পর্যায়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে শনিবার(৯ই ফেব্রæয়ারি) সকালে জেলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিস চত্বরে নীলফামারী পৌরসভা ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ বিভাগের আয়োজনে এ জেলার জাতীয় ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনের উদ্ধোধন করেন জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আফরোজা বেগম, সহকারী উপ-পরিচালক ডা. খাদিজা নাহিদ ইভা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন ভুইয়া, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস.এম গোলাম ফারুক, প্রমুখ।অপরদিকে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. রনজিৎ কুমার বর্মন।জেলা সিভিল সার্জেন কার্যালয়ের সূত্র মতে, “ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমান” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ১৯তম জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে নীলফামারী জেলার ৬টি উপজেলা ৪টি পৌরসভা ৬১টি ইউনিয়নে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৯৬৫ জন শিশুকে দ্বিতীয় পর্যায়ে খাওয়ানো হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশু ২৯ হাজার ৫৯ জন শিশুকে নীল রং এর এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশু সংখ্যার ২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৬ জন শিশুকে লাল রং এর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। এ জন্য জেলায় এক হাজার ৬৬০টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই সব কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়াতে সহায়তা করছেন তিন হাজার ২২০জন সেচ্ছাসেবক ও ১৮৩ জন সুপার ভাইজার। এছাড়া জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে মনিটরিং টিম সমস্ত কেন্দ্র পর্যবেক্ষন করেন।

মন্তব্য

মন্তব্য