কক্সবাজারে সরিষার বাম্পার ফলন

 

চকরিয়ায় বিস্তীর্ণ এলাকায় সরিষার ব্যাপক আবাদ হয়েছে।চলতি মৌসুমে উপজেলার সাহারবিল, ফাঁসিয়াখালী, কৈয়ারবিল, বিএমচর, প‚র্ব বড় ভেওলা, কোনাখালী, বরইতলী, ডুলাহাজারা, চিরিংগা ইউনিয়ন ও চকরিয়া পৌরসভাস্থ শতাধিক স্থানে প্রায় তিনশত হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করেছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।আবহাওয়া অনুক‚লে থাকলে ভাল ফলনের আশাও করছেন চাষিরা।ইতোমধ্যে বেশির ভাগ ক্ষেতে সরিষার ফুলও ফুটেছে।স্থানীয় কৃষি বিভাগ স‚ত্রে জানাগেছে , প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুক‚লে থাকায় চলতি মৌসুমে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।এতে করে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ফুটেছে হাসির ঝিলিক।উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের মনিটরিংয়ের কারণে বর্তমানে সরিষা চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কম খরচে স্বল্প সময়ে সরিষা চাষাবাদে লাভজনক হওয়ায় এ চাষের দিকে ঝুকছে প্রান্তিক কৃষকরা।গ্রামের বেশির ভাগ পতিত জমিতে সরিষা চাষ করে এবছর স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা।তারা বলেন, কম খরচ ও অল্প দিনের পরিচর্যার মাধ্যমে অধিক লাভবান হওয়া যায় এ সরিষা চাষে।তাই অন্যান্য সবজি চাষের পাশাপাশি কৃষকরা জমিতে সরিষা চাষ করছেন।এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি বর্গাচাষী সমিতির সভাপতি মো.মহিউদ্দিন পুতু বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাটির উর্বরতা ভাল।এ কারনে এখানে দেশি ও উচ্চ ফলনশীল দুই জাতের সরিষা চাষ বেশি হয়ে থাকে।তবে দেশী জাতের চেয়ে উ”চ ফলনশীল জাতের সরিষা চাষে লাভ বেশি হয়।তিনি বলেন, সরিষা চাষে খরচ কম ও বেশি পরিশ্রম এবং পরিচর্যা করা লাগে না।চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুক‚ল থাকায় সরিষা চাষে এ বছর ফলনও ভালো হয়েছে।জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো.আতিক উল্লাহ বলেন, মূলত এই উপজেলাটি কৃষি প্রধান একটি উপজেলা।এখানে নানা জাতের সবজি আবাদের পাশাপাশি সরিষারও আবাদ হয়।সরিষা চাষে বীজ বপন থেকে ফলন হওয়া পর্যন্ত মোট সময় লাগে ৭০ থেকে ৭৫দিন।প্রতিবছর নভেম্বর মাসের শুরুতে চাষ দিলে মধ্য জানুয়ারির মধ্যে ফলন ঘরে তোলা যায়।চলতি মৌসুমে কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে এ বছর বেশি আবাদ করেছে উ”চ ফলনশীল বিআর-চৌদ্দ ও পনের।যা,কৃষকের স্বপ্ন পূরণের পাশাপাশি ভোজ্য তেলের ঘাটতি পূরণেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে ।

মন্তব্য

মন্তব্য