বঙ্গোপসাগরে ৭ ফিশিং ট্রলারে ডাকাতি

কক্সবাজার বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যু বাহিনী ডাকাতির শিকার মহেশখালীর মাছ ধরার ৭টি ফিশিং ট্রলার।এতে ২৪জন জেলে আহত হয়েছে।৬ জানুয়ারির রাত ১১টায় সাগর থেকে কুলে ফেরার পথে সোনাদিয়া চ্যানেলে ঘটনাটি ঘটে। এসময় জলদস্যুরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাছ ও বোটে থাকা অন্যান্য সরঞ্জামাদি লুটপাঠ করে নিয়ে যায়।যার আনুমানিক মুল্য ৩০ লাখ টাকা বলে জানাযায়।এনিয়ে স্থানীয় জেলেদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।উক্ত ঘটনায় মহেশখালী উপজেলার ফিশিং বোট মালিক সমিতির নেতারা মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে একটি স্বারকলিপি প্রদান করেন।ডাকাতির শিকার ট্রলার গুলি হলো আব্দুল মোনাফের মালিকানাধীন এফবি শাহেদ, মোহাম্মদ রফিকের মালিকানাধীন এফবি রাফিয়া মণি ছালা উদ্দিনের মালিকানাধীন এফবি আল­াহর দান, রকিব উল­াহ মারিকনাধীন এফবি ফয়সাল, সিরাজ উল­াহ মালিকনাধীন এফবি আল­াহ দান, গিয়াস উদ্দিনের মালিকনাধীন এফবি মায়ের দোয়া, এসব ট্রলারের মালিক মহেশখালী পৌরসভাস্থ ০৯ নং ওয়ার্ড মহেশখালী।নুরুল আলম মেম্বারের মালিকনাধীন এফবি মায়ের দোয়া মোহাম্মদ পুর তেলীপাড়া ছোট মহেশখালী।এবিষয়ে ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি জালাল আহমদ জানান, গত ০৬ জানুয়ারি রাত অনুমান ১১ ঘটিকার সময় ফিশিং বোট গুলো বঙ্গোপসাগর হইতে মাছ ধরে মহেশখালী আসার পথে সোনাদিয়া দক্ষিণ পার্শ্বে মহেশখালী চ্যানেলে পৌছিলে অজ্ঞাত নামা ২০/৩০ জন জলদস্যু উল্লেখিত ফিশিং বোটের গতিরোদ করে বোটে থাকা মাঝি মাল্লাদেরকে মারধর করে তাদের বোটে থাকা সমস্ত কিছু লুট করে নিয়ে যায়। এতে জখম প্রাপ্ত প্রায় ২৪ জন মাঝি মাল্লাকে কক্সবাজার জেলাস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন।ট্রলার মালিকগণের সহযোগীতায় জলদস্যুদের চিহ্নিত করে তদন্ত প‚র্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য