নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় চার সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ

মোঃ সাহাব উদ্দিন, সুবর্ণচর : 
স্বামী-সন্তানকে বাঁধিয়া রাখিয়া চার সন্তানের জননীকে গণধর্ষণের ঘটনার হালনাগাদ বিবরণীঃ- এজাহারের সার-সংক্ষেপঃ- গত ৩১/১২/২০১৮ তারিখ ০০.৩৫ ঘটিকার সময় চর-জব্বার থানাধীন মধ্যম বাগ্যা গ্রামে মামলার অভিযোগকারী তার নিজ বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়া ঘুমাইয়া ছিলেন। গভীর রাতে চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের সোহেল, হানিফ, স্বপন, চৌধুরী, বেচু, বাসু, আবুল, মোশারফ ও ছালাউদ্দিন অভিযোগকারীর বসত ঘরের সামনে আসিয়া ডাক দিলে অভিযোগকারীর স্ত্রী পারুল দরজা খুলিয়া দেন। আসামিরা অতর্কিতে ঘরে প্রবেশ করিয়া অভিযোগকারী ও তার মেয়েকে বাঁধিয়া রাখিয়া তার স্ত্রী পারুল আক্তারকে ঘরের বাহিরে পুকুর পাড়ে নিয়া গণধর্ষণ করে এবং পিটিয়ে আহত করে। আসামিরা যাওয়ার সময় অভিযোগকারীর ঘরের টিনের বেড়া ভাংচুর করে। অভিযোগকারী মোঃ সিরাজুল ইসলাম উল্লেখিত ৯ জনকে আসামি করিয়া এ অভিযোগ দাখিল করিলে চর-জব্বার থানার মামলা নং-১২, তারিখ-৩১/১২/২০১৮ খ্রিঃ, ধারা-১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৪২৭ পেনাল কোড তৎসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩) এর ৯(৩) রুজু হয়। মামলাটি পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মোঃ ইব্রাহিম খলিলকে তদন্তভার প্রদান করা হইয়াছে।
মামলার হালনাগাদ তথ্যাদি- ভিকটিম পারুল আক্তার বর্তমানে নোয়াখালী জেলার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও আশঙ্কামুক্ত আছেন। ০২/০১/১৯ তারিখ ভিকটিমের ধর্ষণ সংক্রান্ত মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হইয়াছে। এজাহারভুক্ত আসামী ১। সোহেল, ২। স্বপন, ৩। বেচু ওরফে ইব্রাহিম ও ৪। বাসু ওরফে কুড়াইল্যা বাসুকে গ্রেফতার করা হইয়াছে। ইহাছাড়াও তদন্তে প্রাপ্ত ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী আসামি ৫। রুহুল আমিন (সাবেক মেম্বার)-কেও গ্রেফতার করা হইয়াছে। আসামিদেরকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হইয়াছে এবং আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানানো হইয়াছে। পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়া কয়েকটি অপারেশনাল ইউনিটের মাধ্যমে তদন্ত ও আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত রাখিয়াছেন।
কোন গুজবে কান না দিয়া সঠিক সংবাদ জানুন, তদন্তে সহযোগিতা করুন।
ছবিতে- রুহুল আমিন মেম্বার

মন্তব্য

মন্তব্য