রুমায় পৃথক কর্মসূচিতে শান্তি চুক্তির ২১তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

ডেভিড সাহা, ক্রাইম প্রতিনিধি, বান্দরবান: 
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সেনাবাহিনী ও জনসংহতি সমিতির পৃথক পৃথক কর্মসুচি গ্রহণের মধ্য দিয়ে  পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১তম বর্ষপূর্তি উদযাপন হয়েছে। এ উপলক্ষে
২ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রুমা জোনের আয়েজিত রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পাহাড়ি-বাঙ্গালী শিল্পীদের অংশ গ্রহণে পরিবেশিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রুমা জোনের সিপাহী মোহাম্মদ নঈম খানের রসালো ছন্দ-ছন্দের তালের উপস্থাপনায় এতে মারমা, বম ও ত্রিপুরা ছাড়াও স্থানীয় পাহাড়ি-বাঙ্গালী শিল্পীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়। মনোজ্ঞ এ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় দর্শক সারিতে রুমা জোনের সেনাকর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসনের সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। এসময় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে নারী দর্শকের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়। এর আগে সকালে রুমা জোনের উদ্যোগে সেনাকর্মবর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে এক বর্নাঢ্য শুভাযত্রা বের করা হয়। রুমা বাজারসহ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে সমাবেত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রুমা জোনের ভারপ্রাপ্ত জোন কমান্ডার মেজর রওনক ইমতিয়াজ খান পিএসসি। আরো বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শামসুল আলম, থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল কাসেম ও রুমা সদর ইউপি চেয়ারম্যান শৈমং মারমা প্রমুখ। মেজর আজিজ এর উপস্থাপনায় এ সভায় সেনা সেনা কর্মকার্তাসহ উপজেলার সরকারি-বেসরকারি, এনজিও , বিভিন্ন পাড়ার প্রধান কারবারি-হেডম্যান,  স্কুলের শিক্ষক- শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপন্থিত ছিলেন। এদিকে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সকাল ১০টায় জনসংহতি উপজেলা শাখার আয়োজনে সমিতির কার্য্যালয়ে শান্তি চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়নে রোডম্যাপের দাবিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জনসংহতি  সমিতির সহ সভাপতি ক্যসাপ্রæ মারমা। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন জনসংহতি সমিতির জেলা কমিটির সদ্স্য মংশৈপ্রু খিয়াং, উপজেলা সহ সভাপতি থোয়াইসানু মারমা ও সাধারণ সম্পাদক মংমংসিং মারমা প্রমুখ।

মন্তব্য

মন্তব্য