রাজধানীর শ্যামপুরে ধর্ষন মামলায় ভুয়া ডাক্তার সহ ৩ জনকে গ্রেফতার

 

রাজধানীর শ্যামপুর থানাধীন ধোলাইপাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বাদী সালমা আক্তার (৪০) জানান, গত ৮ ই নভেম্বর বৃহস্পতি বার (আইরীন ছদ্মনাম) স্কুল কোচিং শেষ হয় বিকাল ৩টায় কিন্তু তার মেয়ে বাসায় না ফিরলে সে স্কুলে যায় এবং স্কুল বন্ধ দেখে প্রধান শিক্ষককে ফোন দেন এবং স্কুল সহ পরিচিত লোকজন ও আত্বীয় স্বজনদের কাছে খবর নেন এক পর্যায় এলাকায় মাইকিং করলে ও (আইরিনের ছদ্মনাম) কোন খবর না পেয়ে শ্যামপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন যাহার নম্বর ৩৪১ তাং ০৮/১১/২০১৮ ইং।এ সময় আইরিনের পরিবারের দূর্শচিন্তায় কাটে সারারাত। তাদের মেয়ের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা তারা জানে না । মেয়েটি কি বেচে আছে না ….নাকি এ সমাজের মানুষরুপি জানোয়াররা তার মেয়েকে ……… নানা ধরনের চিন্তায় কেদে কেদে কাটে রাত। পর দিন শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টায় তারা জানতে পারেন তাদের মেয়ে মামলার অভিয্ক্তু আটককৃত আসামী আব্দুর রবের বাসায় আছে তাৎক্ষনাক তারা আব্দুর রবের বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় তা মেয়ে আইরিনকে উদ্ধার করে তাদের বাসায় নিয়ে আসে। তাদের মেয়েকে পাওয়া গেছে শুনতে পেয়ে স্কুলেরর প্রধান শিক্ষক,জিডির তদন্ত কর্মকর্তা সাব ইন্সেপেক্টর মোঃ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত হন। কিন্তু আইরিনের কোন হুশ না থাকায় কি হয়েছিল সেটা জানা যায়নি। এক সময় রাত আনুমানিক ৯ টায় হুশ ফিরলে সে জানায় স্কুলের কোচিং শেষে মামলার অপর আটককৃত আসামী খন্দকার জান্নাতুল ফেরদৌসের স্কয়ার হেলথ কেয়ার ফার্মেসীতে গেলে তার মুখে অচেতন নাশক ঔষধ শুখায় এরপর তার আর কিছু মনে নেই। পরদিন শুক্রবার কেন সে আব্দুর রবের বাসায় গেল সে তা জানে না। একথা শুনে তার পরিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে মেয়ের শারীরীক অবস্থা খারাপ দেখে ও সি সি তে ভর্তি করে। পরে আইরিনের (ছদ্মনাম) মা সালমা বেগম রবিবার রাতে শ্যামপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ রবিবার রাতে তিনজনকে আটক করে পরদিন সোমবার ৫ দিনের রিমান্ড চায়ে আদালতে সোর্পদ করেন ।

মন্তব্য

মন্তব্য