বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার একাদশেও সাকিব

স্পোর্টস ডেস্ক : দলের প্রয়োজনে ব্যাট হাতে রক্ষাকর্তা, আবার কখনও বল হাতে ম্যাচ ঘোরানো একটা ছোট্ট স্পেল। বলা হয়, যে কোনও দলের ভারসাম্য রক্ষা করেন একজন ভাল অলরাউন্ডার। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই মুহূর্তে সেরা অলরাউন্ডারদের নিয়ে একাদশ তৈরি হলে তাতে কারা জায়গা পাবেন। প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা।

বেন স্টোকস : এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। টি-টোয়েন্টি, একদিনের পাশাপাশি টেস্টেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছে তাকে। এখনও পর্যন্ত ৭৫টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। ব্যাটিং গড় ৩৬-এর উপরে। উইকেট পেয়েছেন ৫৮টি।

সাকিব আল হাসান : আঙুলের চোটের কারণে বর্তমানে দলের বাইরে। বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। তিন ফরম্যাটেই সমান ভাবে অপরিহার্য ক্রিকেটার। আইসিসি অলরাউন্ডার র‌্যাঙ্কিংয়েও তার অবস্থান শীর্ষে। ১৯২টি একদিনের ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার রান রয়েছে। ঝুলিতে ২৪৪টি একদিনের ম্যাচের উইকেট।

রবীন্দ্র জাদেজা : তিন ফরম্যাটের ক্রিকেট খেললেও সীমিত ওভারের ম্যাচে স্বচ্ছন্দ বেশি তার। এখন পর্যন্ত ১৪৪টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। ভারতীয় এই অলরাউন্ডার মোট রান করেছেন ১৯৮২। ক্যারিয়াওে তার গড় তিরিশের উপর। উইকেট সংখ্যাও ১৬৯।

হার্দিক পা-িয়া : আন্তর্জাতিক স্তরে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অলরাউন্ডারদের নাম বললে হার্দিক পা-িয়ার কথা বলতেই হবে। টেস্টে এখনও তেমন ভাবে সফল নন। খেলেছেন ৪২টি একদিনের ম্যাচ। উইকেট পেয়েছেন চল্লিশটি। ব্যাটিং গড় তিরিশের কাছাকাছি।

রশিদ খান : বর্তমানে বিশ্বে যে ক্রিকেটারদের দিকে নজর সব থেকে বেশি, তাদের মধ্যে রশিদ খান অন্যতম। আফগান এই অলরাউন্ডাটি নিঃসন্দেহে বড় বিস্ময়। আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়েও রয়েছেন এক নম্বরে। এখনও পর্যন্ত ৫২টি একদিনের ম্যাচে সেরা স্কোর অপরাজিত ৬০। উইকেট পেয়েছেন ১১৮টি।

মিচেল স্যান্টনার : নিউজিল্যান্ডের তরুণ ক্রিকেটার। একদিনের ম্যাচে কিউই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। ব্ল্যাকক্যাপসদের জার্সি গায়ে ৫৩টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। তিরিশের কাছাকাছি গড়ে রান ৭৮২। বাঁহাতি এ স্পিনার ৫৯টি উইকেট পেয়েছেন।

মোহাম্মদ হাফিজ : সীমিত ওভারের ম্যাচে পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। এখনও পর্যন্ত খেলেছেন ২০৩টি একদিনের ম্যাচ। সেরা স্কোর ১৪০। ১৩৭টি উইকেট দখলে রয়েছে স্পিনার হাফিজের।

মঈন আলি : ইংল্যান্ডের বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান গুরুত্বপূর্ণ সময় দ্রুত উইকেট তুলে নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। সেরা স্কোর ১২৮। দখল করেছেন ৭৮টি উইকেট।

ক্রিস ওকস : ঊনত্রিশ বছরের ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারটি একদিনের ম্যাচে দলের বড় ভরসা। খেলেছেন ৮০টি ম্যাচ। সেরা স্কোর অপরাজিত ৯৫। ডানহাতি পেসারের দখলে রয়েছে ১১৩টি উইকেট।

জেসন হোল্ডার : ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যাপ্টেন। সেভাবে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ না খেললেও, ৮৫টি একদিনের ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। সেরা স্কোর অপরাজিত ৯৯। তার ঝুলিতে রয়েছে ১১২টি একদিনের ম্যাচের উইকেট। সেরা বোলিং ২৭ রানে পাঁচ উইকেট।অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ : শ্রীলঙ্কার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। ২০৩টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস রয়েছে তার। সেরা স্কোর অপরাজিত ১৩৯। তার দখলে রয়েছে ১১৪টি উইকেট। সেরা ২০ রানে ৬ উইকেট। সূত্র :  আনন্দবাজার পত্রিকা

মন্তব্য

মন্তব্য