ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোডের খোলা বিস্কুটের দোকানগুলোই যেন শিশুদের মরণ ফাঁদ

ক্রাইম রিপোর্টার,চট্টগ্রাম // চট্টগ্রাম মহানগর থেকে শুরু করে প্রতিটি থানা পর্যন্ত বেশীরভাগ বিস্কুটের দোকানই যেন শিশুদের মরণ ফাঁদ হয়ে দেখা দিয়েছে। এসব দোকানে   হচ্ছে ভেজাল শিশুখাদ্য। খোলা বিস্কুট যা গ্রহণের ফলে শিশুরা ক্রমেই আক্রান্ত হচ্ছে নানা মরণব্যাধিতে।গ্রাহকের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে এসব খাবারে মেশানো হচ্ছে বিষাক্ত এক জাতীয় রং। এসব ভোজল শিশু খাদ্যের বিরুদ্ধে কার্যত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সরকারের খাদ্য নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ষ্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিএসটিআই কর্মকর্তারা জানান, শিশুদের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গুড়ো দুধ, কেক, ফ্রুটস, জেলি, চকলেট, বিস্কুট টিপস ও জুস বিক্রি হচ্ছে বেশির ভাগই স্বাস্থ্য সম্মত নয় এবং মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।তবে কতটা ক্ষতিকর তা পরীক্ষা করার মতো কোন যন্ত্র ও বর্তমানে বিএসটিআইয়ের নেই যেসব কোটায় গায়ে ইনফ্যাক্ট ফমূলা সিরিয়াল ফর্মূলা লেখা থাকে শুধু সেগুলোকেই শিশুখাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা যায়। এসব খাদ্য ১ দিন থেকে ৩ বৎসর বয়সী শিশুদের জন্য প্রযোজ্য।শিশুখাদ্য হিসেবে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন পাওয়া গুঁড়া দুধের ব্র্যান্ডগুলো হল মাই বয়, ল্যাকটোজেন-১, বেবি কেয়ার, মাদার্স স্লাইন, প্রাইম ও মাদার  স্মাইল, ল্যাকটোফিক্স, মাসিল্যাক, বায়োমিল সয়া, বায়োমিল এঅঅর ফ্রি বিয়েঅমিল গ্যাস্টোফিক্স ও বায়েজ মিল-১, ডানো ডি-১, ডাইল্যাক-১, মেলিয়া এ আর ইত্যাদি।আকমল আলী রোড নামক স্থানে মোঃছিদ্দিকুর রহমান’ র ‘ বিস্কুটের দোকানটি এমন সুন্দর করে সাজিয়ে রেখেছেন দেখলে বুঝাই যায় না যে, এই বিস্কুটগুলো শিশুদের মরণ ফাঁদ? পলিথিনে মোড়ানো  পণ্যের গায়ে মোড়ক ইত্যাদি ব্যবহার না করাঃ- কোন আইন বা বিধি দ্বারা কোন পণ্য মোড়ক বদ্ধভাবে বিক্রয় না করা এবং মোড়কের গায়ে সংশ্লিষ্ট পণ্যের ওজন পরিমাণ উপাদান ব্যবহার বিধি সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উৎপাদনের তারিখ প্যাকেটজাতকরণের তারিখ ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ স্পষ্টভাবে লিপি বদ্ধ করার বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করিয়া বাংলাদেশ ভোক্ত অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৩৭ ধারা লঙ্ঘন করিয়াছেন।ভোক্তা অধিকার আইন ৩৭ ধারা লঙ্গনের  অপরাধের দন্ড হল অনুর্ধ্ব এক বছর কারাদন্ড বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড। এধরণের কিছু দোকান মালিকদেরকে ভোক্ত অধিকার সংরক্ষন আইন অধিদপ্তরের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করার পর থেকে সরাসরি জোরালোভাবে ভেজাল খাদ্যে অবৈধ খোলা বিস্কুট সরাসরী দোকানে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে বিক্রয় করছেন, মনে হচ্ছে ওইসব অবৈধ খোলা বিস্কুট ব্যবসায়ীরা তাদের এ অবৈধ ব্যবসা করার লাইসেন্স পেয়ে গেছেন।এ ব্যপারে স্হানীয় ইপিজেড থানা পুলিশ প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন অধিদপ্তর টিসিবি ভবন বন্দনটিলা চট্টগ্রাম এর বিভাগীয় ও জেলা সহকারী পরিচালক সাহেবদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

মন্তব্য

মন্তব্য