চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দীরা বড় অসহায়!!

  • চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে(১) কয়েদী ২৪২১/এ হান্নান, পিতা-আলী হোসেন, মেঘনা ভবন নং-০৯ নং ওয়ার্ড (০২) কয়েদী ২৪২২/এ নুরনবী, পিতা-মুকুল , যমুনা ভবন-২০ নং ওয়ার্ড (০৩) কয়েদী ৫৯১৮/এ খোকন, পিতা- টিটু মিয়া, কর্নফূলী ভবন-০৯ নং ওয়ার্ড, এই তিনজন কয়েদী সিন্ডিকেট প্রশাসনকে বৃদ্ধ আঙ্গুল দেখিয়ে মাদক সেবন ও বিক্রয়, জুয়ার বোর্ড বসানো এবং নতুন আসামী ক্রেতা বিক্রেতা দাপটের সহিত ব্যবসা করে আসছে। যেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সাধারণ আসামীরা বড় অসহায়। সাধারণ বন্দীদের থেকে জানা যাচ্ছে কারা প্রশাসনের মাঝে জটিলতার সমস্যা দেখা দিয়েছে জেলার ও সুপারের মাঝে ক্ষমতা ও ভাগাভাটোয়ারা নিয়ে। কথায় আছে কাকে কাকের মাংস খায়। সুপার মনে করে জেলার ক্ষমতায় ভাগভাটোয়ারা করে খেয়ে ফেলছে। যার কারনে সুপার কিছু আসামীকে নিয়ে পুরো জেল নিজের আয়ত্বে করনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।সে সুযোগে হান্নান, নুরনবী ও খোকন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার দালাল হিসাবে বিভিন্ন অপরাধ করে খাচ্ছে। গত মাস থেকে আজকের দিন পর্যন্ত একাধিকবার তার বিচারলয়ে বৈঠক তাদেরকে হাজির করা হয়, কয়েদী হান্নানকে মাদক সেবন ও বিক্রেতা হিসাবে প্রামন সহ কেইচ টেবিলে হাজির করা হয়। নূরনবী ও খোকনকে নতুন আসামীদের জবানবন্দীতে ২০,০০০ + ১৫০০০ = ৩৫০০০/- টাকা নেওয়ার পরে অমানবিক নির্যাতনের দায়ে তাদেরকে কেইছ টেবিলে হাজির করা হয়। বড় স্যারের ইশারায় শাস্তি থেকে মওকুফ করে দেওয়া হয়। এতে প্রশাসন ও সাধারণ বন্দীদের মাঝে আরও অধিক আতংক সৃষ্টি হয়। দেখাব আলোর পথ, রাখিব নিরাপদ, এই সেøাগানে সাথে চট্টগ্রাম কারাগারে এক বিন্দু মিল নেই এবং পূর্বের দিনগুলোর চেয়ে বর্তমান দিনগুলো মানসিক নির্যাতন বেড়ে গেছে। কয়েকজন কয়েদী ও প্রশাসনের প্রহসন থেকে মুক্তি দিবে কেউ যেন নেই। ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা মাদক রাখবো না, এই স্লোগান সমগ্র বাংলাদেশ আন্দোলন করে যাচ্ছে। আর সে জায়গায় ৩জন কয়েদী কারাগারে বসে প্রাশাসনে নাকের ডগায় মাদক সেবন ও বিক্রয় করে যাচ্ছে।

মন্তব্য

মন্তব্য