সংগীতের রাজকুমার শচীন দেব বর্মনের ১১২তম জন্মবার্ষিকীতে সংলাপের বর্নাঢ্য আয়োজন

হালিম সৈকত,কুমিল্লা //
কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো সংগীতের বরপুত্র শচীন দেব বর্মনের ১১২তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উপলেক্ষে কুমিল্লায় সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সংলাপ আয়োজন করেছে নানা অনুষ্ঠানমালা। আয়োজনের মধ্যে রয়েছে শিল্পীর কুমিল্লার চর্থার বাড়িতে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য প্রদান, আলোচনাসভা, গান,আড্ডা আর সবশেষে সকলের মাঝে মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন।
গতকাল ১ অক্টোবর ছিল উপমহাদেশের এই সংগীতজ্ঞ কিংবদন্তি শিল্পীর ১১২তম জন্মবার্ষিকী। সকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন শিল্পীর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীরের নেতেৃত্বে।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কুমিল্লা নজরুল ইনস্টিটিউটে শুরু হয় সংলাপের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংলাপের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, নাট্যাভিনেতা ও বিশিষ্ট আলোচিত্রী, মঞ্চপুরুষ শাহজাহান চৌধুরী। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ড. আলী হোসেন চৌধুরী, লেখক ও গবেষক এডভোকেট গোলাম ফারুক, বিশিষ্ট নারী নেত্রী পাপড়ি বসু, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার আয়াজ মাহমুদ, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) কুমিল্লার সভাপতি ও ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট কুমিল্লার সাবেক সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য দাস টিটু ও নিজাম উদ্দিন রাব্বিসহ আরও অনেকে।
কিংবদন্তি এই সংগীত শিল্পীর অনুষ্ঠানটি মূলত পরিনত হয়েছিল সাংস্কৃতিক কর্মীদের মিলনমেলায়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নাট্য সংগঠনের নাট্যকর্মীবৃন্দ, আবৃত্তি শিল্পী, গায়কসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।
এক সময় এই কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী, সুরকার কুমার শচীন কর্তার বাড়িটি ছিল হাঁস মুরগির খামার। পরে সাংস্কৃতিক কর্মীদের প্রতিবাদে সরকার বাড়িটিকে সংরক্ষনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
তুমি এসেছিলে পরশু কাল কেন আস নি…. এ রকম হাজারো গানের ¯্রষ্টা এই মহান শিল্পীর বাড়িটি একটি কালচারাল কমপ্লেক্স হবে এমনটিই আশা প্রকাশ করেছেন পথিকৃৎ কুমিল্লার সাংস্কৃতিক প্রেমী আপমর জনসাধারণ।

মন্তব্য

মন্তব্য