তিতাস থানার দৈনিক খবরপত্র তথাকথিত সাংবাদিক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ।

 

লিটন হাজারী,তিতাস থানা প্রতিনিধি কুমিল্লা //
মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন দুধঘাটা দাখিল মাদ্রাসা এতিমখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মসজিদ কমপ্লেক্স সভাপতি পক্ষান্তরে বিবাদী নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন মূলত শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে নাই তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া কিভাবে সাংবাদিক তা আমাদের বোধগম্য নয় সে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আমাদের গ্রামে এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে সামান্য কথা কাটাকাটি নিয়ে লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে একে অপরের সাথে ঝগড়া সৃষ্টি করা এবং এসব ঘটনা পত্রিকায় খবর ছাপানোয় থেকে সকলের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করে বিভিন্ন সমস্যায় ফেলে দিয়ে তাদেরকে মামলার মাধ্যমে জিম্মি করে আবার ওই মামলার মীমাংসার কথা বলে ও বিভাদির কাছ থেকে ধাপে ধাপে টাকা আদায় করে টাকা দেওয়ার জন্য সাংবাদিককে সরকারি কর্মকর্তাদের খারাপ আচরণ করে থাকেন এলাকার এরুপ কাজের জন্য জনগণের হাতে মার খায় তার বিরুদ্ধে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে মামলা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন আমাদের একটি জায়গা প্রায় 40 বছর পূর্বে আমাদের নামে আমরা উক্ত জমিতে চাষাবাদ করে আসতেছি এবং হাল সন পর্যন্ত জমির খাজনা পরিশোধ করা আছে 2016 ইং সালে একবার জেলা প্রশাসকের নিকট এই জমি লিজ বাতিলের জন্য দরখাস্ত করেন পরে জেলা প্রশাসক সমস্ত কাগজপত্র দেখে তার দরখাস্ত টি নামঞ্জুর করেন পরবর্তীতে 2017 সালে সে আবারও নতুন জেলা প্রশাসকের নিকট দরখাস্ত পুনরাবৃত্তি ঘটায়। নতুন জেলা প্রশাসক তিতাস উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার নিকট দরখাস্ত তদন্ত ভার দেন ভূমি কর্মকর্তা আমাদের কাগজপত্র দেখে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেন সে বর্তমানে আবারও একই দরখাস্ত জেলা পুলিশ সুপারের নিকট পেশ করে সে তার আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে আমাদের মাদ্রাসার একটি জায়গা ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে জবর দখল করে রাখেন জেলা জজের আদালতে বিষয়টি নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে এসব এলাকায় বহু মানুষের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লাগিয়ে রেখেছে কিছুদিন পূর্বে আমার মাদ্রাসায় আশিয়া বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত না দিলে তার পত্রিকার মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিষয়ে তাদের চাকরি করেন। শুধু তাই নয় স্থানীয় ছোট ছোট কোমলমতি স্কুলের ছাত্রদের দিয়ে বিভিন্ন খারাপ কাজে উদ্বুদ্ধ করে তোলে। ঘটনার এক পর্যায়ে আমি এবং স্থানীয় লোকজন তাহার কাছে রক্ষিত সাংবাদিক পরিচয় পত্র দেখাতে বললে সে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন প্রকার অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে ও আমাকে মানহানি করবে বলে হুমকি প্রদান করেন। এহেন কর্মকাণ্ডের কারণে প্রায় সময় সে স্থানীয় লোকজনের কাছে নানা প্রকার অজুহাত দেখিয়ে বিনা দোষে দোষী সাব্যস্ত বানিয়ে তাদেরকে নানা ধরনের হয়রানি এবং বিভিন্ন প্রকার মাদক মামলাসহ বিভিন্ন ভাবে তাদের কে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে থাকেন। কোন কোন সময় স্থানীয় লোকজন তাহার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মারামারিতে লিপ্ত হন। এবং আমরা সাধারন মানুষ খেটে খাওয়া দিনমজুর নিম্ন শ্রেণীর সকল লোককে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, এমত অবস্থায় স্থানীয় লোকজনদের সাথে আলাপকালে বুঝা যায় এলাকায় একটি চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে তাকে নিয়ে যে কোন মুহূর্তে এলাকায় একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এবং সাধারন মানুষের মনে সাংবাদিক নামটি একটি আতংক রূপ নেয় ওই এলাকায় তাই আমি এবং এলাকার স্থানীয় সাধারণ জনগণ এরূপ আচরণের কারণে সাংবাদিকতার সম্মান এবং সাংবাদিকদের নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা সৃষ্টি হতে পারে এই অপকর্মের জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরি নং -২২১তারিখ06/05/2018 ইং এবং জি ডি নং- 283/ তারিখ 07/05/ 2018 ইং।

মন্তব্য

মন্তব্য