রোহীঙ্গা ক্যাম্পে স্থানীয়দের ৭০ শতাংশ চাকরীতে নিয়োগের সরকারী নির্দেশ মানা হচ্ছে না

রাসেল তালুকদার,কক্সবাজার ব্যুরো প্রধান ঃ কক্সবাজার জেলার রোহীঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা উখিয়া টেকনাফ, এখানে প্রায় ১০ লক্ষ রোহীঙ্গা দাপটের সাথে বসবাস করছে স্থানীয়দের জীবন ধারন এখানে খুব কঠিন হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করে আসছেন স্থানীয় জন সাধারণ। এ ব্যপারে সোশ্যাল মিডিয়া ও উখিয়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক আলোকিত সমাজ সহ বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার আশ্রয় নিলেন উখিয়া – পালংখালীর নলবনিয়া গ্রামের ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা ৩০ বছরের বিভিন্ন মেয়াদে নির্বাচিত আওয়ামীলীগ সভাপতি মরহুম সিরাজুল ইসলাম মেম্বারের সুযোগ্য বড় সন্তান সর্বজন প্রিয় আদর্শের মূর্ত প্রতীক বিপ্লবী সাবেক ছাত্রনেতা শফিকুল ইসলাম ওরফে শফিক সিরাজ। “এ্যকশান এইড বাংলাদেশ” নামক এনজিওর বিরুদ্ধে ভলন্টিয়ার নিয়োগে অনিয়মের সু-স্পষ্ট তথ্য নিয়ে অভিযোগ করা হয় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নিকারুজ্জামানের কাছে গত ২০ আগষ্ট কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসার অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকায় কোন রকম সিদ্ধান্ত পাচ্ছেননা বঞ্চিত বেকার শিক্ষিত সমাজ। সাম্প্রতিক দেশের বৃহত্তম এবং লোভনীয় চাকুরীর বাজার এখন কক্সবাজের উখিয়া-টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্প। তাই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে ছুটে আসছে বেকার এবং সুবিধা প্রত্যাশী যুবক-যুবতীরা। ভাষাগত মিল থাকায় রোহিঙ্গাদের সেবা প্রদানে উখিয়া, টেকনাফ সহ কক্সবাজার চট্টগ্রাম অঞ্চলের লোকজনই যথাযোগ্য বলে প্রতীয়মান হয় বিশেষজ্ঞ মহলে। কিন্তু এরপরও স্থানীয়দের চাকুরী বঞ্চিত করে অযোগ্য এবং বহিরাগতদের হরদমে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে এসেছে। বিপুল অংকের টাকার বিনিময়ে এসব নিয়োগ বাণিজ্য হয় বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। শরণার্থী ক্যাম্পে এখন পর্যন্ত দেশি বিদেশী প্রায় ১০০—১৫০ এনজিও কাজ করছে। এসব এনজিও তাদের কর্মকর্তা- কর্মচারী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মোটা দাগে বেতন প্রদান করে থাকে। একারণে শিক্ষিত বেকার যুব সমাজও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকুরির দিকে ঝুঁকছে। কিন্তু এবিষয়টিকে পুঁজি করে এনজিওগুলোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং কোন রকম পত্রিকা সার্কোলার ছাড়া টাকার বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্যে নেমছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় সচেতন ও বঞ্চিত যুব সমাজ।
অভিযোগে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট ‘এ্যাকশানএইড বাংলাদেশ’ নামক একটি এনজিও ক্যাম্প-১১ এবং বালুখালী-২, ময়নাঘোনা-২তে সার্ভেয়ার হিসেবে ২২ জন বহিরাগত অস্থানীয়কে সম্পূর্ণরুপে গোপনে নিয়োগ দিয়েছে। এমনকি এনজিওটি উক্ত ২২জন ভলান্টিয়ার নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন ধরণের নিয়মনীতি মেনে চলেনি। অভিযোগদাতা শফিকুল ইসলাম আরও জানান, এনজিওটির প্রজেক্ট ম্যানেজার মনির উদ্দিনই এসব কারসাজির সাথে জড়িত। এতগুলো বহিরাগত লোকজন দেওয়ার ব্যাপারে সংস্থাটির কেউই জানে না। মনির উদ্দিন তার একক সিদ্ধান্তে এবং গোপনে তিনি ২২জন বহিরাগত লোক নিয়োগ দিয়েছে।
এঘটনায় স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। চাকুরী প্রত্যাশী স্থানীয় বেকার যুবকেরা এবিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন মহলে ধরনা দিয়ে যাচ্ছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ মুঠোফোনে জানান, অভিযোগটি তিনি অভিযোগদাতা মারফতে অবগত হয়েছেন এবং খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য