এলএনজি আমদানিতে অর্থায়ন করবে আইডিবি

অনলাইন ডেস্ক

জ্বালানি তেলের পাশাপাশি তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানিতেও আর্থায়ন করবে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি)। এছাড়া বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতেও বিনিয়োগ বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি। সংস্থার প্রেসিডেন্ট ড. বন্দর এম এইচ হাজ্জারের সফরের শেষ দিতে রোববার রাজধানীর আইডিবি ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

ঢাকায় আডিবির আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন পরবর্তী এ সংবাদ সম্মেলনে আইডিবির প্রেসিডেন্ট ড. বন্দর এম এইচ হাজ্জার, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, আইডিবির প্রেডিডেন্টের উপদেষ্টা হায়াত শিনদি এবং ঢাকা স্থাপিত নতুন কার্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হানি সালিম সোনবল উপস্থিত ছিলেন।

আইডবি প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশসহ আইডিবি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো দরকার। বাংলাদেশে আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের কারণে এখানে নতুনভাবে কার্যক্রম শুরু হবে। অর্থায়ন সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে। এর ফলে আগের দ্রুত সময়ে ঋণ অনুমোদন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন সহজ হবে। অর্থায়নের আরও গতি বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৪ সাল থেকে বাংলাদেশ আইডিবির সদস্য হয়। এ পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য ২২ বিলিয়ন ডলার সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ অর্থায়নে মানসম্মত শিক্ষা, পানি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। মোট সহায়তার ৪০ শতাংশ দেওয়া হয়েছে, ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বেসরকারি খাতের উন্নয়নে।

ড. হাজ্জার বলেন, সঠিক নেতৃত্বে আছে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। অবকাঠামো খাতের অনেক বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য রয়েছে। এ সাফল্যের গল্প আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যাবে।

এম এইচ হাজ্জার আরও বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে আইডিবি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর প্রয়োজন ১ ট্রিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে প্রতি বছর মৌলিক অবকাঠামো খাতের উন্নয়নে দরকার হবে ৭০০ বিলিয়ন ডলার। সব দাতা সংস্থা মিলে মাত্র ১৪৭বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার সক্ষমতা রাখে। এই অবস্থায় বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, আইডিবি বেসরকারি খাতকে প্রযুক্তি সহায়তাসহ বিভিন্নভাবে সহায়তা দেবে। তাদের কোন আইডিয়া থাকলে সেটা বাস্তবায়ন করা হবে। এই আইডিয়ার সুফল আইডিবির সদস্য দেশগুলোও পাবে। এর ফলে পারস্পারিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আইসিডিডিআরবি, সিরডাপসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান সুনামের সঙ্গে কাজ করছে। সরকারও এসব প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দিচ্ছে। এ ধারাবাহিকতায় আইডিবি বাংলাদেশে তাদের অফিস স্থাপন করছে। এটা বাংলাদেশের জন্য গৌরবের।

মন্তব্য

মন্তব্য