কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক বৃন্দের মানব বন্ধন, সমাবেশ ও মিছিল

মোঃ নাসির উদ্দিন, ক্রইম রিপোর্টাস, পটুয়াখালী//পটুয়াখালীর গলাচিপায় কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক বৃন্দরা মানব বন্ধন, সমাবেশ ও মিছিল করেছেন। কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীকে কর্মরত অবস্থায় দুলাল চৌধুরী কর্তৃক মারধর, লাঞ্চিত ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর পূর্বক অব্যহতি পত্র নেওয়া ও প্রধান শিক্ষকের রুমের তালা ভাংচুর করার প্রতিবাদে মানবন্ধন করা হয়। বেলা সকাল ১০ ঘটিকার সময় কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক বৃন্দ এই কর্মকান্ডের তিব্র নিন্দা জানিয়ে এক মিছিল বের করেন। কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ জানান গত শুক্রবার পরীক্ষার বিরতি ছিল এবং স্কুল ছুটি ছিল। পরের দিন আমি স্কুলে আসার পরে আমার কক্ষে নতুন তালা ঝুলানো দেখতে পাই। আমার স্কুলের সভাপতির সাথে হিরু মেম্বর, নান্টু মাদবর ও জালাল সরদার এরা আমার কক্ষের তালা ভেঙ্গে আমার মূল্যবান কাগজপত্র নিয়া যায়। তিনি আরও জানান আমার কক্ষের পুরাতন তালা ভেঙ্গে নতুন তালা দেওয়ার কারণে আজকের পরীক্ষা নিতে পারি নাই। এই বিষয়ে আমি গলাচিপা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব তৌসিফ আহমেদ মহোদয়কে অবগত করেছি। অফিস সহকারী কমল মজুমদার জানান কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি তিনি আমাকে মারধর ও লাঞ্চিত করে আমার কাছ থেকে কক্ষের চাবি নিয়া যান এবং ভয়ভীতি দেখাইয়া জোর পূর্বক অব্যহতি পত্রে স্বাক্ষর নেন। কম্পিউটার শিক্ষিকা মমিনুর বেগম জানান আমার বাবার সাথে ২০ বছর আগে পূর্ব শত্রæতার জের ধরে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমান সভাপতি আমার মুঠো ফোনে ফোন দিয়ে আমাকে অক্যথ্য ভাষায় গালমন্দ করে এবং আমি কিভাবে চাকুরী করবো সেটা সে দেখিয়ে দিবে বলে আমাকে হুমকী দেয়। এ বিষয়ে কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির কাছে জানতে চাইলে তাকে না পাওয়ায় তার পুত্রবধু উম্মে আসমা আখি, আইনজীবি, পটুয়াখালী জেলা বার সমিতি তিনি জানান, আমাদের প্রতিপক্ষ মাইনুল আমাদের প্যানেলের লোকদেরকে মারধর করে সকলের কাছ থেকে নির্বাচনী ফরম নিয়া যায়। মাইনুল শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের উত্তাপ্ত করে আমার শ্বশুরের বিরুদ্ধে মাবববন্ধন করাচ্ছে। যাতে সে সভাপতির পদটি দখল করতে পারে। তিনি আরও জানান অফিস কক্ষের তালা ভাঙ্গা, চাবি নেওয়া এবং অফিস সহকারীকে মারধর ও লাঞ্চিত করার বিষয়টি ভিত্তিহীন। আমি এ ব্যাপারে আমার শ্বশুরের প্যানেলের প্রতিনিধিদের মারধর করে নির্বাচনী ফরম নিয়া যায় মর্মে গলাচিপা থানায় একটি আবেদন দাখিল করি।

মন্তব্য

মন্তব্য