বাল্য বিবাহের সামাজিক প্রভাব ও প্রতিরোধে করনীয়

আগামী প্রজন্মের সুস্থভাবে বেড়ে উঠা এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতেও বাল্য বিবাহ একটি বড় বাধা। বাল্য বিবাহের শিকার ছেলে ও মেয়ের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদনের মত মৌলিক মানবাধিকার লংঘিত হয়। দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পুরুষের ক্ষেত্রে ২১ বছর পূর্ণ এবং নারীর জন্য ১৮ বছর পূর্ণ না হলে তা বাল্য বিবাহ বলে গন্য হয়। অর্থাৎ বর-কনে উভয়ের বা একজনের বয়স বিয়ের দ্বারা নির্ধারিত বয়সের চেয়ে কম বয়সে হলে তা আইনে বাল্যবিবাহ বলে চিহ্নিত। বাল্য বিবাহ একদিকে আইন এবং সংবিধানের লংঘন। জনসংখ্যাতত্ত্বের দিক দিয়ে অপেক্ষাকৃত প্রাপ্তবয়সে বিবাহ সুবিধাজনক। ভবিষ্যতে সন্তানের মা যিনি হবেন, তাঁকে অবশ্যই পরিপক্ব হতে হবে। বাল্যবিবাহের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সমাজের সর্বস্তরে প্রতিফলিত। মানবসমাজে অজ্ঞতা ও কুসংস্কারের কারণে যেসব ক্ষতের সৃষ্টি হচ্ছে, বাল্যবিবাহ তার মধ্যে অন্যতম। একটি মেয়ে তার স্কুলজীবন পেরোনোর আগেই বউ হচ্ছে, মা হচ্ছে। জীবন সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়ার আগেই সে সংসার-জীবনে প্রবেশ করেছে। অথচ সমাজের অন্য মেয়েদের মতো শিক্ষিত, স্বাবলম্বী কিংবা সুন্দর জীবনযাপনের ন্যনূতম অধিকারী তার ছিল। বাল্যবিবাহের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হলো, অপরিণত গর্ভধারণ ও অকালমাতৃত্ব। আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বাল্যবিবাহ অত্যন্ত ভয়াবহ একটি সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। একটি সুস্থ জাতি পেতে প্রয়োজন একজন শিক্ষিত মা, বলেছিলেন প্রখ্যাত দার্শনিক নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। অথচ আজ এই একুশ শতকে এসেও বাংলাদেশের ৬৬% মেয়ে এখনো শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, যার প্রধান কারণ বাল্যবিবাহ। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাল্যবিবাহ রোধ আমাদের ভূমিকা ও কার্যক্রম পর্যাপ্ত নয়। বাবা –মায়ের দারিদ্রতা, বেকারত্ব, ও সামাজিক নিরাপত্তার কারনে বারো বছর বয়সী মেয়েটাকে বিয়ে দিতে কুন্ঠাবোধ না কররাই কথা। সেখানে ব্যথতার দায়ভার আমাদের। বাল্য বিবাহের উদ্বেগজনক পরিণতি যেহেতু পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর সেহেতু এটি অবশ্যই বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। এজন্য প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন করাসহ আপামর জনসাধারণকে এ ব্যাপারে সচেতন পূর্বক সম্পৃক্ত করতে হবে। আর নতুন আইন প্রণয়নের থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো আইনের প্রয়োগ। কারণ আমাদের দেশে আইন আছে; কিন্তু আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে। বাল্য বিবাহ সংকুচিত করে দেয় কন্যা শিশুর পৃথিবী। আমরা যদি সবাই সচেতন হই তাহলে কন্যা শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। দেশে মা ও শিশুর অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে। বাল্য বিবাহের কারনে মেয়েদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি, শিক্ষা না পাওয়া, যৌতুকের বলি হওয়া এবং পরাধিনতার শৃঙ্খলে আর বদ্ধ না হোক। জীবনকে উপভোগ করুক নির্মল আনন্দে। নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানতম বাধা হিসেবেও বাল্যবিবাহকে চিহ্নিত করা যায়। বাল্য বিবাহের শিকার ছেলে বা মেয়ে সে যাই হক না কেন সে তার উচ্চ শিক্ষা এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে শিশু শিক্ষা থেকেও বঞ্চিত হয়। ফলে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত শিশু, কিশোরী এবং কোন কোন ক্ষেত্রে কিশোররাও উন্নত জীবন ব্যবস্থা, আধুনিক প্রযুক্তিগত তথ্য প্রবাহ থেকে বঞ্চিত। তাই বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাই আসুন বাল্য বিবাহ বন্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি। বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনতা সৃষ্টি করি।

ধর্মীয় দৃষ্টিতে বাল্য বিবাহ :
কম বয়সী ছেলেমেয়ের মধ্যে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হলে পবিত্র কোরআনে যে শান্তি ও সুষমার কথা বলা হয়েছে, তা বিপর্যস্ত হতে পারে। মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘তিনিই তোমাদের এক প্রাণ থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার সঙ্গিনীকে সৃষ্টি করেন, যেন তার কাছ থেকে পায় শান্তি ও সুখময় বসবাস’ (সূরা আল-আরাফ, আয়াত: ১৮৯)। ইসলাম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার জন্য নারী বা পুরুষকে বালেগ বা প্রাপ্তবয়স্ক ও পরিপক্ব হওয়া অত্যাবশ্যকীয় বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে। তাই শরিয়তের দৃষ্টিতে বাল্যবিবাহে নিরুৎসাহী করা হয়েছে। বিবাহ-সম্পর্কিত পবিত্র কোরআনের আয়াত ও হাদিস সামনে রেখে জীবনের কঠিন বাস্তবতার আঙ্গিকে বিশ্লেষণ করলে, বাল্য বিবাহ ইসলামে একেবারে গ্রহণযোগ্য নয়। ইলমে ফিকহের একটি সূত্র হচ্ছে, ‘মুকাদ্দিমাতুল হারামে হারাম’ অর্থাৎ ‘যা হারামের দিকে নেয় সেই কাজটিও হারাম।’ যে বাল্যবিবাহ ভগ্নস্বাস্থ্য, অপরিকল্পিত পরিবার, দাম্পত্য কলহ, প্রসবকালীন মৃত্যু, শিশুর অকালমৃত্যুসহ অনেক বিপদ ডেকে আনে, সেই বিবাহ কখনো ইসলামের অনুমোদিত হতে পারে না। ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের সামর্থ্য বলতে কেবল দৈহিক সক্ষমতা নয়, আর্থিক সামর্থ্যও থাকতে হবে। ফকিহেদর মতে, ‘কোন বয়সে বিয়ে সম্পাদিত হবে, তা শারীরিক ও জৈবিক প্রয়োজন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ, অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যা দিয়ে বিবেচিত হয়। কিশোরী বয়সে বিয়ে হওয়ার কারণে ভবিষ্যতে এসব নারী মানসিক, শারীরিক ও যৌনজীবনে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হন। এসব নারী পরবর্তী সময়ে জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন না। এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশ ও জাতি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ জন্য নবী করিম (সা.) সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন, ‘নিজের কিংবা অন্যের কোনো ক্ষয়ক্ষতি করা যাবে না। বাল্যবিবাহে যেসব সমস্যা তৈরি হচ্ছে, তার মধ্যে নিরাপদ মাতৃত্ব অন্যতম। এর জন্য প্রাপ্তবয়সকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। সহস্রাব্দ উনয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেখানে বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেখানে বাল্যবিবাহ ও এর পরিণতি-সংক্রান্ত বিষয়ে নিস্পৃহ দৃষ্টিভঙ্গি কোনো ধর্মপ্রাণসচেতন নাগরিকের কাম্য হতে পারে না। মা-বাবা, অভিভাবক ও ধর্মীয় নেতারা যদি বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন না হন, তাহলে এর অনুশীলন চলতেই থাকবে।

বাল্য বিবাহের কুফল ও প্রভাব :
১.নারী শিক্ষার অগ্রগতি ব্যাহত হওয়া ছাড়াও বাল্য বিবাহের কারনে মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। মা হতে গিয়ে প্রতি ২০ মিনিটে একজন মা মারা যাচ্ছেন। গর্ভপাতের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। প্রতিবছর গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসবকালীন সমস্যার কারণে কমপক্ষে ৬০ হাজার বাল্যবধূ মারাও যায়।
২. প্রতি ঘন্টায় মারা যাচ্ছে একজন নবজাতক। নবজাতক বেঁচে থাকলেও অনেক সময় তাকে নানা শারীরিক ও মানষিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়।
৩. বাল্যবিবাহের প্রথম শিকার হয় শিশু, দ্বিতীয় শিকার নারী এবং তৃতীয় শিকার সমাজ। কম বয়সে মা হওয়ার কারণে মা ও গর্ভের সন্তানের শরীরে রক্তশূন্যতাসহ নানা ধরনের রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। বাল্যবিবাহের পরিণতিতে শুধু শিশু, অল্প বয়সী নারী বা তার পরিবারই আক্রান্ত হয় না, এতে দেশ হয় অপুষ্টি ও দুর্বল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উত্তরাধিকারী। অপ্রাপ্তবয়স্ক মা প্রতিবন্ধী শিশু জন্মদান করতে পারে।
৪. বাল্যবিবাহ শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি করে না, পারিবারিক, সামাজিক এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের ক্ষতিসাধনেও সহায়ক হয়। বাংলাদেশে জন্মহার হ্রাসকরণের ক্ষেত্রে প্রধান দুটি অন্তরায় হলো বাল্যবিবাহ ও অল্প বয়সে সন্তানধারণ। ফলে অগ্রিম একটি জাতি জন্ম গ্রহণের ফলে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৫. বাল্য বিবাহের ফলে বিবাহ বিচ্ছেদের আশংকা তৈরী হওয়া ছাড়াও নানা পারিবারিক অশান্তি দেখা দেয়।
৬. স্কুল কলেজ গামী ছাত্র/ছাত্রীদের হ্রাস করে। বাল্য বয়সে বিয়ে হওয়ার কারণে মেয়েরা পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
৭. প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে জ্ঞান না থাকায় বিবাহিত কিশোরীরা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক সমস্যার কবলেও পড়ে। শারীরিক গঠন পূর্ণাঙ্গ হওয়ার আগেই বিয়ে অতঃপর সন্তান জন্ম দেওয়ার কারণে বাল্যবধূরা পুষ্টিহীনতায় ভোগে। অপুষ্টির মধ্যে শারীরিক নানা উপসর্গ দেখা দেওয়া সত্ত্বেও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে অসচেতনতার কারণে গর্ভবতী হয় সে। তা ছাড়া গর্ভধারণের বয়সে উন্নীত হওয়ার আগেই অল্প বয়সী বালিকাদের বিয়ে দিলে পরবর্তী সময়ে যে গর্ভসঞ্চার হয়, তা নবজাতক ও মা উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক ও ক্ষতিকর হতে পারে।
৮. স্বামী, সংসার, শ্বশুরবাড়ির সম্পর্কে বুঝে উঠার আগেই সংসার এবং পরিবারের ভারে আক্রান্ত হয়। অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ির থেকেও তার উপর চাপের সৃষ্টি হয়, শুরু হয় অশান্তি, পারিবারিক কলহ, এবং সর্বোপরি পারিবারিক নির্যাতন।
৯. অপরিনত বাড়ন্ত পুষ্ঠিহীন শরীরে বেরে উঠে আরেকটি অনাগত ভবিষ্যত অপুষ্ঠিগত অভিশাপের বোঝা নিয়ে। বেড়ে চলে মা ও নবাগত শিশুর জীবনের ঝুঁকি।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে করনীয় :
একটু ভাবুন, আমি আপনি পরিশীলিত মূল্যবোধ নিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সমাজের জন্য কত টুকু কাজ করছি? কতটুকু দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে পারছি? কতজন অসহায় নারী শিশুর পাশে দাঁড়াতে ? আমি আপনি যদি সবাই সচেতন হই তাহলে একটি কন্যা শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। দেশে মা ও শিশুর অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে আমাকে ও আপনাকে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আপনার সদিচ্ছাই পারে বাল্যবিবাহ রোধ করতে। আপনার লিখিত বা মৌখিক আবেদন অথবা সংবাদের ভিক্তিতে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার অফিসার ইনচার্জ, কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক বা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি বাল্য বিবাহ বন্ধ সহ আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। বাল্য বিবাহ রোধকল্পে ১০৯ কিংবা ৯৯৯ ফোন করে যেকোন বাল্য বিবাহ সংক্রান্ত তথ্য আপনার পরিচয় গোপন রেখে আপনি প্রশাসনকে প্রদান করতে পারেন।

বাল্যবিবাহ সংকুচিত করে দেয় নারীর পৃথিবী। সামাজিক সচেতনতা আর সম্মিলিত প্রচেষ্টাই কেবল বাল্যবিবাহ রোধ করে একটি কন্যাশিশুকে অধিকারসচেতন নারী কিংবা দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী নিজেই সচেতন হয়ে উঠেছেন। নারী নিজেই যখন বাল্যবিবাহ সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠবেন, তখন এ ঘৃণ্য অভিশাপ থেকে নিশ্চিতভাবে কন্যাশিশুরা মুক্তি লাভ করবে। যখন দেশ, জাতি, রাষ্ট্র ও সমাজ এ বিষয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে, তখন বাল্যবিবাহের আড়ষ্টতা থেকে নারীরা বেরিয়ে আসবেন এ প্রত্যাশায় বাল্যবিবাহ রোধে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। একজন নারীর সদিচ্ছাই পারে বাল্যবিবাহ রোধ করতে। বাল্য বিবাহ রোধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে সচেতনা ও শিক্ষা। কেননা যখন সবাই সচেতন হবে তখন বাল্য বিবাহ রোধে সবাই ভূমিকা রাখতে পারবে। এছাড়া শিক্ষা হলো নারীদের জন্য অপরিহার্য। শিক্ষিত নারী-ই পারে সমাজের সকল অনিয়মেয় বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে। নারীরা যখন তাদের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে সচেতন হবে তখন আশে পাশের মানুষগুলো অন্তত নড়েচড়ে বসবে। কোন কিছু চাপিয়ে দিতে তারা ভাববে। এখন সময় এসেছে নারীদের নিজেদের অধিকার বুঝে নেয়ার। বাল্য বিবাহ রোধে নারীদের কেই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে। পরিবারে বোঝা না হয়ে নিজেকে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী করতে হবে। সর্বোপরি বাল্য বিবাহ রোধে নারীদের কেই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে। পরিবারে বোঝা না হয়ে নিজেকে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী হতে হবে। মোটকথা বাল্যবিবাহ বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সচেতন করতে হবে পিতা-মাতাকে তা হলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা যাবে।

জনসচেতনায়- মোঃ সাব্বির রহমান, ইন্সপেক্টর(তদন্ত), বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা, ব্র্রাহ্মণবাড়িয়া।

মন্তব্য

মন্তব্য