বর্ষা মৌসুমে গবাদিপশু গরুর খুরাচল আক্রান্তে বাড়ছে বিভন্ন রোগবালাই, দুশ্চিন্তায় প্রান্তিক কৃষক!! 

মু. জিল্ললুর রহমান জুয়েল, পটুয়াখালী: চলছে বর্ষা এবং ইরি ধান রোপনের মৌসুম। আর এর মধ্যেই শুরু হয়েছে গবাদিপষুর গরুর খুরায় রোগ সহ বিভিন্ন রোগের আক্ররম। যার ফলে প্রান্তিক কৃষকেরা ভূগছেন নানা দুশ্চিন্তাতা। সরজমিনে পটুয়াখালীর বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে জানা যায়, প্রতি বর্ষা ও ইরি ধান মৌসুম শুরু হওয়ায় কৃষক যখন মাঠে ইরি ধানের বীজ বপন প্রস্তুতি নিচ্ছিলো, ঠিক তখন’ই চাষাবাদের একমাত্র সম্বল গৃহপালিত গবাদিপশু গরুর পা’য়ে খুরা রোগ সহ দেখা দিয়েছে নানা রোগবালাই। গলাচিপা উপজলার চিকনিকান্দী ইউনিয়নের কৃষক মোঃ ইউনুচ মিয়া জানিয়েছেন, আমার সাতটি গরু আছে, এর মধ্যে কিছু গরুর ঘাস খাওয়া দাওয়া, কমিয়ে দিয়েছে, দেখে মনে হয় অজনও কমে গিয়েছে, আর দুই বছর বয়সী একট গরুর গ্রামের ভাষায় খুরাচল নামের রোগের আক্রান্তে আমি দিশেহারা। গ্রামের পল্লী চিকিৎসক দ্বরা চিকিৎসাও নিয়েছি,  কিন্তু তাতে মুটামুটি সেরে গেলেও দুঃশ্চিন্তা কমেনি।  পানপট্টি ইউনিয়নের গ্রামর্দন গ্রামের কৃষক আঃ সোবহান, সতিনাথ গ্রামের মোফাচ্ছের চৌকিদার, সানু মীস্ত্রী, আজাহার মুন্সী আলমগির ফকির সহ অনেক’ই জানান, বর্তমান গোলখালী ইউনিয়নের গরুর মালিক ও কৃষক  মোঃ নূরু ইসলাম সর্দাদার, আবুবকর ছিদ্দিদিক, ফারুক হোসেন, জয়নাল আবেদিন তারাও গবাদিপশু গরুর খুরাচল ও নানা রোগদমন নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় আছেন বলে প্রতিবেদককে জানানন। এবিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রাণী সম্পৎ কর্মকর্তা ডাঃ মলয় কুমার শূর জানান, এবিষয়ে সকল উপজেলার প্রাণী সম্পৎ কার্যযলয়ে গরুর মালিক ও খামারীদের সহযোগীতা করছেন। তাছারা   তথ্য অনুযায়ী গরুর খুরাচল ও বিভিন্ন রোগবালাই বিষয়ে, গরুর খুরায় ফোসকা পড়ে ছড়িয়ে পরে সারা গায়ে, ঘা এর মত হলে, আক্রান্ত গরুকে রোদযুক্ত জায়গায় নিয়ে পভিসেট তুলা দিয়ে পরিস্কারর করে সুমিটভেট পাউডার  পেষ্ট করে সকাল ও বিকেল লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।

মন্তব্য

মন্তব্য