ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টা করে ইছব আলী

উজ্জ্বল খান. ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ সদর উপজেলা চরকালিবাড়ি বগারমোড়ে মোঃ ইছব আলী (৪৫), পিতা-মৃত-আব্বাছ আলী, মলি আক্তারকে পিতা- আঃ কদ্দুছ মিয়া, ২৫/০২/২০১৮ ইং তারিখে ধর্ষণ করে। মলি আক্তার (১২) চরকালিবাড়ী দক্ষিণ দাখিল মাদ্রাসা ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত ছাত্রী। ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। মলি আক্তারকে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে তার বাবা মায়ের কাছে ও আত্মীয় স্বজনের কাছে ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ভয় পেয়ে মলি আক্তার ঘটনাটি বলতে বিলম্ব করে। এ বিষয়ে মলি আক্তারের বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ (সংশোধীত-০৩) এর ৯ (১) ধারায় মোকআব্দুল কদ্দুস বাদী হয়ে ময়মনসিংহ বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন বিশেষ আদালতে মামলা দায়ের করে মোকদ্দমা নং (৭৪), ইছব আলী খারাপ লোক হওয়া বটে, আরেকটি তৃতীয় শ্রেণিতে অধ্যায়নরত মেয়ে রুমা আক্তার ১৮/০৩/২০১৮ ইং তারিখে স্কুলে যাওয়ার পথে তুলে নিয়ে একটি ঘরের ভিতরে জামা কাপড় খুলে ধর্ষণ করার চেষ্টা করলে রুমা আক্তার চিৎকার দিয়ে ওঠে । চিৎকার শুনে নিলুফা আক্তার, আলীয়া ফেরদৌস, তারু মিয়া, আব্দুল কদ্দুস, আব্দুল মালেক দৌড়াইয়া ঘরের ভিতর আসে। পরে ধর্ষক ইছব আলী দৌড়াইয়া পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে তার পিতা হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে ময়মনসিংহ বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে মোকদ্দমা নং (৭৫) এবং নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ (সংশোধীত-০৩) এর ৯(৪) খ ধারায় ধর্ষক ইছব আলীর বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা করে।এ বিষয়ে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে বলে মামলা দাযের করার পরেও কেন ধর্ষক ইছব আলীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না । গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক। তাহলে আমাদের মেয়েদেরকেও এ ধরনের কোন ঘটনার সম্মুখীন হতে হবে না। তাই এলাকাবাসীর একটাই দাবী ধর্ষক ইছব আলীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

মন্তব্য

মন্তব্য