ইংল্যান্ডকে হারালো বাংলাদেশের যুবারা

কিছুটা ধীর গতিতে হলেও অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে জ্বলে উঠল বাংলাদেশ। পঞ্চম স্থান নির্ধারণী প্লে অফে ইংল্যান্ডকে পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা।

কুইন্সটাউনে প্রথমে ব্যাট করে ২১৬ রান করে ইংলিশরা। জবাবে পাঁচ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয় বাংলাদেশ। পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচের সেমিফাইনালে সেই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিল টাইগার দল।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৮২ রান তুলতেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। তবে এর পর আফিফ-সাইফ মিলে বিপর্যয় এড়ান। চতুর্থ উইকেটে ৬৬ রানের জুটি উপহার দেনতারা। দলীয় ১৪৮ রানে সাইফ ৫৯ করে আউট হলেও টিকে থাকেন আফিফ। পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি যখন সাজঘরে ফেরেন, তখন জয় থেকে দল মাত্র আট রান দূরে। শেষ পর্যন্ত আর কোনো উইকেট না হারিয়ে জয়ের (২২০) বন্দরে পৌঁছে বাংলাদেশ। আফিফ খেলেন ৯৯ বলে সাতটি চার ও এক ছক্কায় ৭১ রানের নান্দনিক ইনিংস।

ইংল্যান্ডের হয়ে পেসার অ্যাডাম ফিঞ্চ নেন দুই উইকেট।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে ইংল্যান্ড। দারুণ সূচনাও করে দলটি। প্রথম ২৫ ওভারে এক উইকেটে ১৩৮ রান তুলে বড় স্কোরের আভাস দেয় ইংলিশরা। তবে ইনিংসের মাঝপথে খেই হারিয়ে ফেলে তারা। এর পর তাদের চেপে ধরে বাংলাদেশ বোলাররা। শেষ ২২ ওভারে ৭৮ রানে ইংল্যান্ডের নয় উইকেট তুলে নেয় তারা। শেষ পর্যন্ত ৪৭.২ ওভারে ২১৬ রানেই গুটিয়ে যায় ক্রিকেটের উদ্ভাবক দেশটি।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন ব্যাংকস। আর ব্রুকস করেন ৬৬ রান।

ইংল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের দুই তরুণ পেসার কাজী অনিক ও হাসান মাহমুদ। এতে দারুণ সমর্থন জুগিয়েছেন অফস্পিনার আফিফ হোসেন। হাসান ও আফিফ শিকার করেছেন তিনটি করে উইকেট। আর অনিকের শিকার দুই উইকেট।

ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরম করায় ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন আফিফ।

পঞ্চম স্থান নির্ধারণীর চূড়ান্ত প্লে অফ হবে ৩১ জানুয়ারি, একই ভেন্যুতে। সেই ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা।

মন্তব্য

মন্তব্য