ঢাকার সাভার হতে ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ একজন সন্ত্রাসীকে  গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২। 

১। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনা এলিট ফোর্স র‌্যাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং এটি র‌্যাবের চলমান আভিযানিক কর্মকান্ডেরই একটি অংশ। দেশের সন্ত্রাস কবলিত এলাকা সমূহে র‌্যাব এর অভিযানের ফলে জনগণ শান্তিতে জীবন যাপন করছে এবং আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে। এলিট ফোর্স র‌্যাব প্রতিষ্ঠার পর হতে অদ্যবধি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আপোষহীন এবং নিরলস গ্রেফতার অভিযান চলমান রেখেছে।
 
২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-২, এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন ছয়মাসী, কলাদিয়া পাড়া, মাতাব্বর রোড এলাকায় কয়েকজন সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা অদ্য ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখ সময় আনুমানিক ১৩.০০ ঘটিকায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে একজনকে সন্দেহ জনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে মোঃ সুজন মিয়া (২৮), পিতা-মোঃ আব্দুল করিম, থানা-হেমায়েতপুর, থানা-কেরানীগঞ্জ মডেল, জেলা-ঢাকাকে দেহ তল্লাশী করে তার পরিহিত লুঙ্গির কোচা হতে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি ম্যাগাজিন এবং ০১ রাউন্ড গুলিসহ আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামী জানায় যে, সে সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, সাভার, হেমায়েতপুর ও আশপাশের অন্যান্য এলাকায় বিভিন্ন লোকজনকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও জমি দখল সহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে আসছিল। শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেনীর লোকজনকে অবৈধ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজী, ছিনতাই, খুন, ডাকাতিসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়াই তার প্রধান পেশা। এছাড়াও আটককৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই বাছাই করে ভবিষ্যতে র‌্যাব-২ কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

মন্তব্য