সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘মি টু’ ক্যাম্পেইনে নারীরা জানাচ্ছেন নিজ নিজ জীবনে ঘটে যাওয়া যৌন হয়রানির কথা। দেশ–বিদেশে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন অনেক নারী। পুরুষও আছে অনেক। এরই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার বিবিসি প্রচার করেছে একটি ভিডিও।

ভিডিওতে বিবিসির সাংবাদিক মুখোমুখি হয়েছেন কয়েকজন পুরুষের। সরাসরি জানতে চেয়েছেন, কর্মস্থলে নারীদের যৌন হয়রানির শিকার হতে দেখে তাঁরা কী পদক্ষেপ নিয়েছেন? লন্ডনের চলতি পথে কয়েকজন পুরুষের সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে নানা তথ্য। পরিস্থিতির চাপে অনেক পুরুষই প্রতিবাদ করতে পারেননি বলে স্বীকার করেছেন। অনেকে আবার প্রতিবাদ করবেন বলে জানিয়েছেন।

কর্মস্থলে নারীদের যৌন হয়রানির শিকার হতে দেখে কী করেছেন—জানতে চাইলে মধ্যবয়সী একজন পুরুষ বলেন, ‘সেটি ছিল আমার প্রথম চাকরি। সে সময় নারীদের যৌন হয়রানির শিকার হতে দেখেছি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতাবান পুরুষেরাই এমন আচরণ করেছেন। চাকরির ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারিনি। এখন আমার ব্যবসা রয়েছে। এখন প্রতিবাদ করার ক্ষমতা রাখি।’

লন্ডনের আরেক পথচারী পুরুষও প্রায় একই কথা জানালেন। তাঁর বক্তব্য, কাজ ও ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের চাপের কারণে চাইলেও এ ধরনের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারেননি। চাকরি হারানোর ভয়ও থাকে এ সময়।

কর্মস্থলে যৌন হয়রানির শিকার নারীদের কীভাবে সাহায্য করেছেন—জানতে চাইলে আরেক পথচারী বলেন, এ ধরনের ঘটনায় অনেক সময় তিনি আর্থিকভাবে সহায়তা করেন।

একজন বেশ দৃঢ়তার সঙ্গে বললেন, এ রকম কিছু ঘটলে কোনো ভয় বা সংকোচ ছাড়াই প্রতিবাদ করবেন।

আরেক পথচারীও কাঁধ ঝাঁকিয়ে একই মতামত জানালেন। বললেন, অপরাধীকে শাস্তি দেবেন। প্রতিবাদ ও সমালোচনা করবেন।